খাল নিয়ে বিবাদ! অবশেষে “দিদিকে বলো” তে ফোন, ঘটনাস্থলে বিধায়ক

0

সানওয়ার হোসেন, কুলপি :- খাল নিয়ে দুই অঞ্চলের বিবাদ। অভিযোগ ওঠে এলাকার প্রভাব শালী ব্যক্তি হিসাবে পরিচিত নাসিরুদ্দিন বলদিয়া-র বিরুদ্ধে। তিনি আবার কুল্পি পঞ্চায়েত সমিতির সহকারি সভাপতি। এলাকায় নিজের প্রভাব খাঁটিয়ে বাবুর মহলে সেচ দপ্তরের খাল দখল করে মাছ চাষের জন্য মাছের ভেড়ি তৈরি করছে। জেসিপি গাড়ি দিয়ে মাটি কাটার কাজ ও শুরু করেছে। কেওড়াতলা বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিভিন্ন জায়গায় জানিয়ে ও কোন লাভ হয় নি।নাসিরুদ্দিন নিজের প্রভাব খাঁটিয়ে কোন সরকারি অফিসের গুরুত্ব না দিয়ে মাটি কাটার কাজ চালিয়ে যায়। শেষে এক প্রকার বাধ্য হয়ে কেওড়াতলা এলাকার বাসিন্দারা “দিদিকে বলো” তে ফোন করে। ফোন করতে কাজ ও হয় তাদের এমনটাই দাবি এলাকার বাসিন্দাদের। আজ দুপুরে কুল্পি বিধায়ক যোগরঞ্জ হালাদর ও জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি পূর্ণিমা হাজারি সহ স্থানীয় নেতৃত্ববৃন্দ সহ সরকারি আধিকারিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন করে কুল্পি বিধায়ক যোগরঞ্জ হালদার জানান, এলাকায় এসেছি ঘটনা স্থল ঘুরে দেখেছি। এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। পরবর্তী পদক্ষেপ আমরা আলোচনা করে নেবো।

অন্যদিকে নাসিরুদ্দিন বলদিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি ওদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঝিলের খালের ওই জায়গাটি বাবুরমহল অঞ্চলের অধীনে। খালটি পরে আছে, যার ফলে নোনা জল ঢুকে চাষের ক্ষতি হচ্ছে। সেখানে যদি একটি সহজ রাস্তা বের করতে পারি, বনসৃজন করতে পারি কিংবা পার্ক ইত্যাদি, অর্থাৎ জনস্বার্থে কিছু করা যেতেই পারে, তাই প্রথমে নদীর জল আটকানোর জন্য রাস্তা তৈরি করছি। পরে পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে ভরাট করবো ১০০ দিনের কাজের আওতায়। সে ক্ষেত্রে স্থানীয় বহু গরিব মানুষ উপকৃত হবে। স্থানীয় বেশ কিছু মানুষ নাসির বাবুর এই উদ্যোগ কে স্বাগত জানায়। সেচ দপ্তর ও বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

13 − 12 =