চঞ্চল মিস্তিরী, বাংলাদেশ প্রতিনিধি :- পিরোজপুর জেলা মঠবাড়িয়া উপজেলা ৩ নং মিরুখালী ইউনিয়নের বড়শৌলা গ্রামের মোঃ আবদুল মান্নান হাওলাদার (৪৫) নামের এক কৃষক কুমারো চাষ করে বেশ লাভবান হন। তিনি প্রায় তিন একর জমিতে এ চাষ করেন। প্রতি বছর এই সময় তিনি কুমারো চাষ করে থাকেন। তবে এর পাশাপাশি চিচিঙ্গা, পুইশাক, তুরই,ও পেপে চাষ করেন। তার প্রতি বছর খরচ হয় (৩০-৪০) হাজার টাকা। এবং তিনি এই চাষ থেকে বেশ লাভ করেন দেড় থেকে দুই লাখ টাকা। সবজি চাষ করে গ্রামের অনেকেই তার দেখা দেখি সবজির চাষে আগ্রহী হয়ে কাজ করেন। তবে তিনি বলেন যে সকল কিছুর চেয়ে কুমারো চাষে তিনি বেশি লাভবান হন। কুমরো চাষে খরচ কম লাভ বেশি।অন্যান্য চাষে খরচ বেশি লাভ কম। তার প্রায় জমিতেই কুমারো চাষ করেন। তারা ফাঁকে ফাঁকে অন্য সবজি চাষ করেন। তিনি বলেন যে কুমারো চাষ সবসময়ই করা যায়। এটা থেকে মানুষের খাওয়ার রুচি কমে না আলুর মত। কুমারো সব সময়ই খাওয়া রুচিসম্মত হয়ে থাকে। এতে কোন কেমিকেল ছাড়াই এ সবজি উৎপাদন করা যায়।শুধু মাএ বীজ রোপনের সময় কিছু সার প্রয়োগ করতে হয়।তার পড়ে আর কিছুর দরকার হয় না, অন্য সবজির চাষে মত। মোঃ আবদুল মান্নান হাওলাদার বলেন যে কুমারো চাষ তিনি কখনো ছাড়বেন না যত দিন বেচে থাকবেন ততদিন এ চাষ করে যাবেন কম খরচে বেশি লাভ।এটা একটি মানসম্মত খাবার তিনি বলেন যে তাকে বাজারে নিয়ে বিক্রি করতে হয় না ক্রেতারা তার বাড়ির খেত থেকে এসে পাইকারী রেটে এ সবজি নিয়ে যায়।