সনাতন গরাই, দুর্গাপুর :- যে আশ্রমে এককালীন অভাবের কারণে ৫০০ লোকের সেবা হতো। আজ সেই আশ্রমেই ৫০০০লোকের সেবা হয়। কুড়ি বছর আগেথেকে মহাকাল ভৈরবের রাধাঅষ্টমীর দিন ছোট্ট করে পূজা হত এবং অল্পস্বল্প অন্নকূটের ব্যাবস্থা ছিল।কাঁকসার বিষ্ণুপুরের বাসিন্দা জয়দেব ভান্ডারী খুব কষ্টের মধ্যে দিয়ে এককালীন বাবা ভৈরবের পূজার খরচ বহন করতেন।তারপর আসতে আসতে ভক্তদের দানে আজ ৫০০০ মানুষের ও বেশি মানুষের জন্য সেবার ব্যাবস্থা থাকে।চলে দুই দিন ব্যাপী বাউল অনুষ্ঠান।অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে দূর দুরান্তের বাউল শিল্পীরা।

এই আশ্রমের সভাপতি জয়দেব ভান্ডারী জানান অভাবের কথা শুনে আমাদের পাশে এসে আমাদের হাতকে শক্ত করে তোলেন গৌতম ভৌমিক মহাশয়।তিনি যথাসম্ভব সহযোগিতা করেন আমাদের।এছাড়াও আমরা সবাই মিলে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বের হয় সাহার্যের আসায় এবং গোঁসাই এর কৃপায় সকলের সহযোগিতায় এই জায়গায় পৌঁছে যেতে পড়েছি।প্রত্যেক দিন আমরা এই বাবা ভৈরবের চরণে আশ্রয় নি।এইভাবে মহাসমারোহে চলতে থাকে অনুষ্ঠান।