অলোক আচার্য ,ব্যারাকপুরঃ- করোনার দ্বিতীয় ডোজের টিকা না পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পরেছেন গারুলিয়া পুরসভার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা তথা শ্যামনগরের বিস্তীর্ণ এলাকাবাসী।

দিন দিন যতই যাচ্ছে ততই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। আর ততই বাড়ছে করোনা ভ্যাকসিনর চাহিদা। কিন্তু বেশির ভাগ জায়গায় পাওয়া যাচ্ছে না ভ্যাকসিন। ভ্যাকসিনের জন্য বিভিন্ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে হাসপাতাল সর্বত্র পরছে লম্বা লাইন। কোথাও রাত থেকে লাইন দিয়েও শেষ পর্যন্ত মিলছে না টিকা। সর্বত্রই বলা হচ্ছে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। এবার সেই চিত্র দেখা গেলো গারুলিয়া পৌরসভার আর্বান উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র ২ তে।

শুক্রবার সকালে এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নিতে ভোর থেকেই লাইন পড়েছিল এই গারুলিয়া পৌরসভার আর্বান উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র (২)এ। কিন্তু বেলা গড়ালেও স্বাস্থ্য কেন্দ্রের গেট খোলার জন্য কাউকে হাজির হতে দেখা যায় নি। পরে করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নিতে আসা ব্যক্তিদের এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রের এক গার্ড জানান, যে সোম বারের আগে টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া যাবে না। বর্তমানে এই সাস্থ্য কেন্দ্রে করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজের ইঞ্জেকশন অপ্রতুল। এই ঘোষণা শোনার পর থেকেই আশঙ্কিত হয়ে পরেছেন দ্বিতীয় ডোজ নিতে আসা ব্যক্তি রা। কারন তাদের মধ্যে অনেকেরই দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার সময় সীমা অতিক্রম হয়ে যাচ্ছে।

টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিতে আসা ব্যক্তিদের বক্তব্য ” মানুষ খুব বিপদে পরে গেছে। প্রথম ডোজ দেওয়ার পর যে সময় সীমা থাকে দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার তা প্রায় অনেকেরই শেষ হয়ে যাচ্ছেন। আর এই চত্বরে এমন কি শ্যামনগরের কোথাও টিকার দ্বিতীয় ডোজ র ক পাওয়া যাচ্ছে। ফলে মানুষ ভয় পাচ্ছেন। শুক্রবার ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার কথা বলা হলেও সেটা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কোন উচ্চ পদস্থ কর্মী বা আধিকারিক কেউ বলার জন্য স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এসে উপস্থিত হন নি এখনো।”

এদিন দ্বিতীয় ডোজের জন্য নতুন করে নাম নথিভুক্ত করার জন্য মানুষের ভিড় দেখা গেলো। সেখানে কোন সামাজিক দূরত্ব না মেনেই চলছিল নাম নথিভুক্ত করার কাজ ।পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন না থাকায় নির্দিষ্ট সময়ে অনেকেই দ্বিতীয় ডোজ পাচ্ছেন না। সাধারণ মানুষের হয়রানি ও ক্ষোভ চূড়ান্ত আকার নিয়েছে। নতূন করে জেলায় ভ্যাকসিন না এলে টিকাকরণ বন্ধ রাখা ছাড়া কোনও উপায় নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের একাধিক কর্তা।