অলোক আচার্য, নববারাকপুরঃ- সাহিত্যসেবী গবেষক এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর সৃজনশীল সাহিত্যের স্রষ্টা লেখক যোগেশ চন্দ্র বাগলের ১২০ তম জন্মদিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাল নববারাকপুর পুরসভা। শুক্রবার সকালে নববারাকপুর পুরসভার ১২নং ওয়ার্ডে বঙ্কিম চ্যাটার্জী রোডে যোগেশ চন্দ্র বাগলের আবক্ষ মর্মর মূর্তিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করে শ্রদ্বার্ঘ জানান পুরসভার উপ পুরপ্রধান স্বপ্না বিশ্বাস, স্থানীয় কাউন্সিলর সুদীপ ঘোষ, হৃষিকেশ রায়, পূজা গুপ্ত, বেবি চক্রবর্তী, শোভা রায়, পুরসভার হেডক্লার্ক সজল নন্দী মজুমদার, কোঅপারেটিভ হোমস এর সচিব শিতাংশু শেখর গুহ, সাংবাদিক পূর্ণেন্দু চক্রবর্তী, প্রয়াত সাহিত্যিক প্রশান্ত চন্দ্র বাগলের সহধর্মিনী সুনন্দা বাগল, পুত্র প্রসিত কুমার বাগল সহ ওয়ার্ডের বিশিষ্ট জনেরা ।

উল্লেখ্য যোগেশচন্দ্র বাগল ছিলেন সাংবাদিক ইতিহাসবিদ ও লেখক। ১৯০৩ সালে বরিশালে কুমিরমারা গ্রাম জন্মগ্রহণ করেন। পিতা জগবন্ধু বাগল এবং মাতা তরঙ্গিনী দেবী। কলকাতার হরি সাহা বাজারের উপর দোতলায় যোগেশচন্দ্র সপরিবারে বাসা ভাড়া করে বাস করতেন। ১৯৫২ সালে রূপকার হরিপদ বিশ্বাসের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় যোগেশচন্দ্র নববারাকপুরে পাঁচ কাঠা জমি কিনে বসবাস করেন।

নববারাকপুরে উন্নয়নের যোগেশ চন্দ্র বাগলের অবদান অনস্বীকার্য। ১৯৪০ সালে তার গবেষণামূলক গ্রন্থ ভারতের মুক্তিসন্ধানী প্রকাশের সাথে তার বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছিলেন। মহান মনীষীর জন্মদিন পালন করল নববারাকপুর পুরসভা যথাযোগ্য মর্যাদা সহকারে ।তার লেখনী গবেষণা সমাজের নানাবিধ উন্নয়নের কাজকর্ম তুলে আলোকপাত করেন পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গন ও বিদগ্ধ জনেরা এদিন। যোগেশ চন্দ্র বাগলের নামাঙ্কিত একটি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় স্থাপিত হয় নববারাকপুরে।