সংবাদদাতা, বসিরহাট :- বসিরহাট মহকুমার বাদুড়িয়ার ১৬ নং ওয়ার্ডের তারাগুনিয়া ঘটনা। বছর পঞ্চাশের আবুল হাসান গাজীর গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার বাড়ির পাশের আমবাগান থেকে পেশার ভাটা শ্রমিক। সেই সূত্রে পরিচয় হয় রাজু সর্দারের সঙ্গে। সেও একই ভাটার শ্রমিক এর কাজ করতো। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ আবুলের স্ত্রী বছর ৩৫ এর আনজুরা বিবি সঙ্গে প্রতিবেশী বাসিন্দা ৩২ এর রাজু সর্দার এর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে । এই সম্পর্কের কথা আবুল জানতে পারে। তারপরে শুরু হয় দাম্পত্য কলহ । সেই সম্পর্কের টানাপোড়েনে স্বামী আবুল হোসেন উপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চলত। এমনকি তাকে খেতেও দিত না ঠিকমত বলে অভিযোগ আত্মীয় স্থানীয় গ্রামবাসীদের। এই পরকীয়া সম্পর্কের কথা তারা গুনিয়ার স্থানীয় বাসিন্দারা জানত। কিন্তু প্রতিবাদ করতে আসলে আনজুরা বিবি তাদের কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ দিতে বলে অভিযোগ। দীর্ঘদিনের সম্পর্কের জেরে আত্মহত্যা প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ প্রেমিক রাজু মন্ডল ও প্রেমিকা তথা স্ত্রী আজুরা বিবি। তার স্বামীকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দিয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকি বালিশ চাপা দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে বেশ কয়েকবার। এই নিয়ে গ্রামে সালিশি সভা বসলেও প্রশ্ন সমাধান সূত্র বেরিয়ে আসেনি। শনিবার সকাল বেলায় বাড়ির পাশে আম বাগানে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় স্বামী আবুল হাসান গাজীর । এই ঘটনা পরে স্থানীয় বাসিন্দারা আনজুরা বিবি কে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। সেই সঙ্গে তাদের এক ছেলেকে। আবুলের মৃতদেহ উদ্ধারের পরে পালিয়ে যায় প্রেমিক রাজু সর্দার ।এই ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং মৃতদেহ আটকে রাখে গ্রামবাসীরা। তাদের দাবি অবিলম্বে প্রেমিক রাজুকে গ্রেফতার করতে হবে আনজুরা, রাজুকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবি জানিয়েছে স্থানীয় গ্রামবাসীর থেকে শুরু করে মৃতার পরিবারের লোকজন। যেন এমন শাস্তি দেয়া হোক আর পাঁচটা জীবন নষ্ট যাতে না হয়। সেই দাবি জানিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা । এখনো দগদগে ঘা বারাসাতের মনুয়া কান্ডের ঘটনার বিচার ব্যবস্থা গতকাল শুক্রবার শেষ হয়েছে বারাসাত ফাস্ট ট্রাক আদালতে ।তারপরে কাটতে না কাটতে ১২ ঘণ্টার মাথায় আবার এই ঘটনার সাক্ষী রইল বাদুড়িয়া তারাগুনিয়া পাড়া। প্রেমিক রাজু মন্ডল ও প্রেমিকা আনজুরা বিবি বিরুদ্ধে বাদুড়িয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে মৃত আবুল হোসেন গাজীর ভাইপো আরিফ হোসেন গাজী।