এবার করোনা পরিস্থিতিতে টাকি ইছামতি নদীর পাড়ের দুই বাংলার বিসর্জনের চিত্র অনেকটাই ফিকে

0
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি, বসিরহাটঃ- শেষ বেলায় দেখা গেল টাকি ইছামতি নদী বক্ষে নৌকায় দুর্গা প্রতিমা বিসর্জনের পালা। সকাল থেকে সারাটা দিন পুলিশ এবং বিএসএফের কড়া নজরদারিতে প্রতিমা বিসর্জন করানো হয় টাকি রাজবাড়ীর ঘাটে। সব নিয়ম-নীতি মেনে ২৪ জন বেহারার কাঁধে চড়ে ইছামতি নদীর ঘাটে প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বিসর্জনের জন্য। পাশাপাশি রামেশ্বরপুরের ঘোষ বাড়ি পূজা , টাকি জমিদার বাড়ির পুজো ও বিভিন্ন ক্লাবের প্রতিমা প্রতিমা বিসর্জন করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আনুমানিক কুড়ি থেকে একুশ টি প্রতিমা একইভাবে নিরঞ্জন করা হয় এই ঘাটে। সৈয়দপুর মুখোপাধ্যায় বাড়ির সদস্যরা সচেতনতার জন্য ইছামতীর পাড়ে মাস্ক বিলি করেন। এবং সঙ্গে স্যানিটাইজার দেন। সব মিলিয়ে টাকি ইছামতি নদীর পাড়ের দুই বাংলার বিসর্জনের চিত্র অনেকটাই ফিকে। এই করোনা আবহাওয়ায় এবার মুখে মাস্ক পরে হাতে স্যানিটাইজার লাগিয়ে সব নিয়ম নীতি মেনে সিঁদুর খেলা এবং প্রতিমা নিরঞ্জনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল টাকি রাজবাড়ীর ঘাটে। টাকি জমিদার বাড়ি ও মুখার্জি বাড়ির সদস্যরা মাকে বিসর্জন দিতে হাজির হয়েছিলেন ইছামতীর পাড়ে।
সব ঠিকঠাক চলছিল কিন্তু বেলা চারটের পর ইছামতি নদীবক্ষে নামলো দর্শনার্থীদের নৌকা।

এই বিষয়ে প্রতিমা বিসর্জন দেখতে আসা বাপন মন্ডল, বুবাই মন্ডল এর বক্তব্য বহু বছর ধরে আমরা এই ইচ্ছামতীর নদীবক্ষে বিসর্জন দেখতে আসি কিন্তু এবার সেই আনন্দ আর উপভোগ করতে পারলাম না মহামারী করোনার জন্য। সকাল থেকে ঠিকঠাক চলছিল প্রতিমা নিরঞ্জন, পুলিশ ও বিএসএফের পক্ষ থেকে কিন্তু বিকালের পর থেকেই সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে পারিনি বিসর্জন দেখতে আসা দর্শনার্থীরা। সব ভয় কে দূরে সরিয়ে আনন্দে গা ভাসিয়ে দিয়ে ছিল বিসর্জন দেখতে আসা দর্শনার্থীরা।

এই বিষয়ে ডক্টর মোবারক মোল্লা জানান, আমরা যদি মহামারী করোনাকে পরাজিত করতে চাই। তাহলে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় ফুল হাতা জামা ও মুখে মাস্ক পরে বেরোতে হবে। এছাড়াও বাড়িতে ফিরে হাতে সাবান, ও স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ভালো করে পরিষ্কার করতে হবে। তবেই আমরা সুস্থ স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে পারো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

8 − 3 =