একদিকে জলকষ্ট অপরদিকে নর্দমার বিষাক্ত জলে উপদ্রব! বিষাক্ত জীবজন্তুর নাজেহাল কাঁকসার আড়া গ্রামের কিছু দলিত সম্প্রদায়ের মানুষ

0

সনাতন গরাই, দুর্গাপুর :- ভোট এলে সপোত করে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেয় ভোট পেরোলেই ভয় দেখায় নেতা থেকে মন্ত্রীরা।প্রায় দু থেকে তিনশো লোক বসবাস করে মলানদীঘির আড়া বাউড়ি পাড়ায়। মেলেনা ঠিক ঠাক সরকারি পরিষেবা। জলকষ্টে নাজেহাল প্রায় একশো পরিবার। শুধু জলকষ্টে না নর্দমার বিষাক্ত জল ঢুকছে বাড়ির ভেতর হুস নেই পঞ্চায়েতের। আড়া বাউড়ি পাড়ার বাসিন্দা ভগীরথ বাউড়ি জানায়, গত পাঁচ বছর ধরে জল আসে না ঠিক ঠাক। জল আনতে যেতে হয় এক কিলোমিটার দূরে শ্মশানে। আগে দুটো কল ছিল এখন এই একটা টাইম কল আছে। যা জল বেরোয় সেটা তো খাওয়া যায় না ওই বাসন মজা হাত পা ধোওয়া হয়। ভালো করে জল ও বের হয় না। মলানদীঘি পঞ্চায়েতে বাড়ে বাড়ে জানানো হলেও কোনো সুরাহা হয় না। ওই এলাকার একজন মহিলা জানান আমাদের বাড়িতে ছোট ছোট ছেলে আছে আর সামনেই ব্যস্ত রাস্তা, বাচ্চাদের ফেলে এক কিলোমিটার দূরে জল আনতে হয়। সেই সময় বাচ্চাদের কেউ তুলে নিয়ে চলে গেলে আর খুঁজেও পাবো না।তারা অভিযোগের আঙ্গুল তোলে ইন্দ্র নামে এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ওই তৃণমূল নেতা ভোটের সময় বলেছিল সব হয়ে যাবে। ভোট পেরোনোর পর সব ভুলে গেছে। অপরদিকে ফ্ল্যাটের পাশে জলের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। আমরা কিছু বলতে গেলে কোনো গ্রাহ্য করছে না। তারা জানান, এই বারে আর বাড়িতে বলতে এলেও ভোট দেব না।

অপরদিকে ওই এলাকার বাসিন্দা নমিতা বিবি জানান, ফ্ল্যাটের নোংরা জল ড্রেনের মধ্যে আমাদের বাড়ির ভেতর ঢুকছে। বিষাক্ত জলে আমাদের বাচ্চা থেকে সমস্ত মানুষ অসুস্থ হয়ে পরছে। সিপিএম এর সময় শুধু ঢালাই একটুকু রাস্তা হয়েছিল তারপর আর কিছু হয় নি। নর্দমার বিষাক্ত জলের পাশাপাশি বিশাল লতাপাতা থেকে ঝোপঝাড়ে ভর্তি এলাকা জুড়ে,উপদ্রপ সাপ, বাং থেকে বিষাক্ত পোকামাকড়ের। বাড়ে বাড়ে জানানো সত্ত্বেও কোনো কাজ হয় নি এলাকায়।

মলানদীঘি পঞ্চয়েত প্রধান পীযুষ মুখার্জী জানান জল নিয়ে আমার কাছে তেমন কোনো অভিযোগ ছিল না, আমি এখন জানলাম আমরা অতি তড়িঘড়ি ব্যাবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছি।ফ্ল্যাটের দূষিত জলের অভিযোগ ছিল আমার কাছে আমরা অপরমহলে জানিয়েছি তড়িঘড়ি সাফায় করার চেষ্টা করছি,এর পাশাপাশি জঞ্জাল পরিস্কারেও তড়িঘড়ি কাজ শুরু হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

twenty + 4 =