অলোক আচার্য,  নিউব্যারাকপুর :- স্বাধীন ভারতের সংবিধান প্রণেতা বাবা সাহেব ড. ভীমরাও রামজি আম্বেদকরের ১২৯ তম জন্মজয়ন্তী সাড়ম্বরে পালন করা হয় নিউব্যারাকপুরে নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। রবিবার সকালে ড. বি আর আম্বেদকর রোডে আম্বেদকরের মর্মর মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানান ড. বি আর আম্বেদকর জন্মজয়ন্তী উৎসব কমিটির সদস্যবৃন্দ। আয়োজক নিউব্যারাকপুর পৌরসভা, পশ্চিমবঙ্গ তফসিলি জাতি আদিবাসী সমাজ কল্যাণ সংস্থা ও আম্বেদকর ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে বিকেলে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য নম:শুদ্র উন্নয়ন সমিতির কার্যকরী সদস্য তথা নিউব্যারাকপুরের নব রূপকার সুখেন মজুমদার । আম্বেদকর ভবনে তিনি সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের উন্নয়নে বাবা সাহেবের ভূমিকা ও অবদান নিয়ে প্রাঞ্জল ভাষায় বক্তৃতা দেন।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন পুরপ্রধান তৃপ্তি মজুমদার, ড. নিখিল চন্দ্র হালদার, স্থানীয় পুরপিতা গুরুপদ সরকার, বিভূতিভূষণ মজুমদার, কো অপারেটিভ হোমসের সচিব শীতাংশুশেখর গুহ, অজয় রায়, কবি ও নাট্যকার মিলন বসু এবং উৎসব কমিটির যুগ্ম সম্পাদক দিলীপ বিশ্বাস। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত এবং আবৃত্তি পরিবেশন করেন সঙ্গীত শিল্পী দীপ্তি গুহ ও বাচিকশিল্পী জয়া বসু, বনানী চক্রবর্তী। আম্বেদকর কালচারাল কলেজের শিক্ষার্থীরা নৃত্য ও শ্রুতি নাটক পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন লীলাবতী বিশ্বাস। অন্যদিকে, নিউব্যারাকপুর ড. বি আর আম্বেদকর মিশনের উদ্যোগে সকালে প্রভাত ফেরি বের করা হয় এবং তার প্রতিমূর্তিতে মাল্যদান করেন সংস্থার সদস্যরা। আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র মহাবিদ্যালয় যথাযথ মর্যাদা সহকারে দিনটি পালন করে। মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আম্বেদকরের প্রতিমূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানান বিভিন্ন অধ্যাপক অধ্যাপিকা, ছাত্র ছাত্রীরা ও শিক্ষাকর্মীবৃন্দ।